সন্দ্বীপে একত্রিশ বছর আগের মৃত ব্যক্তির নামে মামলা
সন্দ্বীপ,চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ
চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে দশ লক্ষ টাকার ছিনতাই হামলা,ও ভাংচুর এর অভিযোগে স্থানীয় সাবেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান ও সাবেক পৌরসভার মেয়র জাফর উল্যা টিটু সহ ৪০ জনের নামে থানায় মামলা হয়েছে। মামলায় আসামি করা হয়েছে অজ্ঞাতপরিচয়ের আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে। গত ২১ অক্টোবর সোমবার সন্দ্বীপ থানায় মামলাটি করেন জাতীয়তাবাদি সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) এর সন্দ্বীপ উপজেলার সাবেক সভাপতি মোঃ আশ্রাফ উল্যা।
মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে সন্দ্বীপ উপজেলা সাবেক ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম চৌধুরী রহিম এর পিতা মৃত ওমর গণি চৌধুরী কে আসামী করা হয়।উক্ত মামলার ৩১ নাম্বার আসামী ওমর গণি চৌধুরী তিনি বিগত প্রায় ৩০ বছর আগে মৃত্যু বরণ করেন বলে জানাগেছে। এছাড়া মামলাটির ৩৪ নাম্বার আসামী আশেক এলাহি মুন্না একজন ২ বছরের শিশু বলে স্হানীয় সূত্রে জানাগেছে।
স্হানীয় বাসিন্দাদের মতে আরো একত্রিশ নাম্বার আসামী একজন মৃত ব্যক্তি হয়তো পূত্র কে আসামি করতে গিয়ে পিতার নামে ভুলে করেছে। আবার কারো কারো মতে চৌত্রিশ নাম্বার আসামি চাচার নামের সাথে কিছুটা মিল থাকার কারণে দুই বছরের শিশু ভাতিজার নাম এসেছে।
বাকি আসামিরা সবাই স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী অঙ্গসংগঠনের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত।
মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, ২০১৭ সালের ২১ শে জুনে সন্দ্বীপের জাতীয়তবাদী বিএনপির সাবেক এমপি প্রার্থী মোস্তফা কামাল পাশা বাবুল এর নিকট হইতে সন্দ্বীপের বিভিন্ন স্হানে অসহায় নিরীহ গরীব লোকজন কে সাহায্য সহযোগিতা করার জন্য ঈদ উপলক্ষে নগদ দশ লক্ষ টাকা প্রদান করে। পরবর্তী তে উক্ত টাকা বিতরণের উদ্দেশ্য বের হলে আসামিগন মোটরসাইকেল গতিরোধ করে টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নেয় বলে মামলায় উল্লেখ করেন।
সন্দ্বীপ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম এর কাছে জানতে চাইলে তিনি কালবেলা কে জানান ৩১ নাম্বার আসামীর পিতা অজ্ঞাত। আর এই মৃত্যু ব্যক্তি ও চৌত্রিশ নাম্বার আসামি একজন শিশু সে বিষয়ে জানতে পারিনি,কেউ এবিষয়ে জানাননি।
মামলার পর এজাহারভুক্ত আসামিগণ পলাতক রয়েছে। অজ্ঞাত নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।মামলার বেশির ভাগ আসামি আত্মগোপনে থাকায় অভিযোগের বিষয়ে তাঁদের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।