৮ দফা বাস্তবায়নে ‘আমরণ গণঅনশনে’ সংখ্যালঘু অধিকার আন্দোলন
অনলাইন ডেস্কঃ আট দফা দাবি বাস্তবায়ন, জাতীয় সংসদসহ সব প্রতিনিধিত্বমূলক পর্যায়ে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু প্রতিনিধি নিশ্চিত করা এবং মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে ‘আমরণ গণঅনশন’ কর্মসূচি শুরু করেছে সংখ্যালঘু অধিকার আন্দোলন।
গতকাল শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে ঢাকার রমনা কালীমন্দিরে এ কর্মসূচি শুরু হয়। আন্দোলনের মুখপাত্র সুস্মিতা কর, কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সুব্রত বল্লবসহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন। একইদিন দুপুর ১টা থেকে চট্টগ্রামের চেরাগী পাহাড় মোড়েও সংগঠনের নেতারা আমরণ অনশনে বসেন।
সংগঠনের মুখপাত্র সুস্মিতা কর "কালবেলা" কে বলেন—“শুক্রবার থেকে ঢাকা ও চট্টগ্রামে এই আমরণ গণঅনশন শুরু হয়েছে। অচিরেই অন্যান্য বিভাগীয় শহরেও একই কর্মসূচি পালন করা হবে। দেশের সব সংখ্যালঘু শিক্ষার্থী, সাধারণ জনগণ এবং আট দফার পক্ষে যারা সহমত পোষণ করেন, তারা যেন যুক্ত হয়ে আন্দোলনকে আরও শক্তিশালী করেন, সেই আহ্বান জানাই। একই সঙ্গে আমরা সরকার ও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, যেন সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর ন্যায্য দাবি দ্রুত বাস্তবায়িত হয়।”
এর আগে গত ১২ সেপ্টেম্বর রমনা কালীমন্দিরে ১২ ঘণ্টার অনশন পালন করে সংখ্যালঘু অধিকার আন্দোলন। তারও একদিন আগে সংগঠনটির পক্ষ থেকে আট দফা দাবি এবং অনশন কর্মসূচির ঘোষণা দিয়ে সচিবালয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা, ধর্ম উপদেষ্টা, শিক্ষা উপদেষ্টা ও সমাজকল্যাণ উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়।
এছাড়া ৮ সেপ্টেম্বর জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকারের কাছে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণের দাবি জানায়। সেখান থেকে জানানো হয়, আট দফা দাবি বাস্তবায়ন না হলে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় নিজেদের নিরাপদ মনে করবে না। তাই সরকার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আলোচনায় না বসলে তারা আমরণ গণঅনশন কর্মসূচি শুরু করবে।